নাগরিক নিরাপত্তা ও সচেতনতা গাইড

ব্যবহৃত জিনিস কেনার আগে করণীয়

সেকেন্ড-হ্যান্ড গ্যাজেট বা যানবাহন কেনার ক্ষেত্রে প্রতারণা ও চোরাই মালের আইনি ঝামেলা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ টিপস।

১. ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ কোড নিজে যাচাই করুন

বিক্রেতার কথার ওপর নির্ভর না করে মোবাইলের ডায়ালপ্যাডে *#06# চেপে সরাসরি স্ক্রিনের IMEI নম্বর এবং বক্সের স্টিকার মিলিয়ে দেখুন।

২. কেনার পূর্বেই 'খোঁজ নিন'-এ চেক করুন

টাকা হস্তান্তরের আগে ডিভাইসের ১৫ সংখ্যার IMEI বা সিরিয়াল নম্বর দিয়ে খোঁজ নিন-এ সার্চ করে নিশ্চিত হন কোনো সক্রিয় চুরির রিপোর্ট রয়েছে কি না।

৩. আসল ক্যাশ মেমো ও বক্স সংগ্রহ করুন

শুধুমাত্র হ্যান্ডসেট বা ডিভাইস কিনবেন না। যে দোকান থেকে কেনা হয়েছিল তার রসিদ, ওয়্যারেন্টি কার্ড ও অরিজিনাল চার্জার দাবি করুন।

৪. বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংগ্রহ

ব্যক্তিগত বিক্রেতার ক্ষেত্রে তার মূল NID কার্ডের সাথে ছবি মিলিয়ে নিন এবং একটি ফটোকপিতে তার বর্তমান স্বাক্ষর ও মোবাইল নম্বর লিখে নিন।

৫. ডিজিটাল মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন

সম্পূর্ণ ক্যাশ লেনদেনের পরিবর্তে বিকাশ/নগদ বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা দিন, যাতে প্রয়োজনে লেনদেনের ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন আইডি ও সময় সংরক্ষিত থাকে।

আইনি সতর্কতা: দণ্ডবিধি ৪১১ ধারা

বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী, কোনো চোরাই জিনিস জেনে বা সন্দেহ সত্ত্বেও কেনা আইনত একটি শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। তাই কোনো পণ্যের দাম অস্বাভাবিক কম মনে হলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন।